Home

eBooks

Latest Comments

Blood and Tears Print E-mail
ePublication
Written by Qutubuddin Aziz   
Friday, 26 March 2004 00:50

170 eyewitness accounts of the atrocities committed by Awami League militants and other rebels on West Pakistanis, Biharis and other non-Bengalis and pro-Pakistan Bengalis in 55 towns of East Pakistan in March-April 1971.
(Click here to Download the Book)

REVIEW

For the first time, the pathetic, grisly and untold story of the massacre of more than half a million non-Bengalis and pro-Pakistan Bengalis by the Awami League-led insurgents in East Pakistan (breakaway Bangladesh) in March-April, 1971, is bared in “BLOOD AND TEARS”. The details of the genocide waged by the rebels in those murderous months were concealed from the people of West Pakistan by the then federal government to prevent reprisals against the local Bengalis and also not to wreck the prospects of a negotiated settlement with the Awami League. The danger of such a reprisal has now been eliminated by the repatriation to Bangladesh from Pakistan of all the Bengalis who wished to go there. The 170 eye-witnesses, whose tragic accounts of their splintered and trauma-stricken lives are contained in this book, were picked from amongst nearly 5000 families repatriated to Pakistan from Bangladesh between the autumn of 1973 and the spring of 1974.

 
একাত্তর নিয়ে কেন এ লেখা Print E-mail
একাত্তরের আত্মঘাতের ইতিহাস
Written by ফিরোজ মাহবুব কামাল   
Sunday, 19 October 2008 01:46
মানব হিসাবে প্রত্যেকের কিছু দায়-দায়িত্ব থাকে। মুসলমান হিসাবে কিছু বাড়তি দায়িত্বও থাকে। আর সে বাড়তি দায়িত্বটা হল সত্যের পক্ষে সাক্ষী দেওয়া। ইসলামে এটিকে বলে শাহাদতে হক তথা সত্যের পক্ষে সাক্ষ্যদান। মুসলমান হওয়ার জন্য কালামে শাহাদত জনসম্মুখে পাঠ করতে হয়। লা-শরীক আল্লাহ এবং তাঁর রাসূল সত্য - কালেমায়ে শাহাদত পাঠের মধ্য দিয়ে সে সাক্ষীটিই প্রবল ভাবে দিতে হয়। তবে সে দায়িত্ব এখানেই শেষ হয় না, শুরু হয় মাত্র। সত্যের পক্ষে এরূপ প্রকাশ্য সাক্ষ্যদানের পর, প্রতিটি মুসলমানের জীবনে সেটিই তার আমৃর্ত্যু জীবন-সংস্কৃতিতে পরিণত হয়। ফলে জীবনের আশে পাশে যে সত্যঘটনা ঘটে তাকে সেগুলিরও পক্ষ নিতে হয়। সত্যকে বিজয়ী করতে সে শুধু মসজিদে, জনপদে বা জিহাদের ময়দানেই যায় না, আদালতেও যায়। সত্যের পক্ষে সাক্ষী দিতে হয় সর্বসাধারণের বিবেকের আদালতেও। সে কাজটি করে লেখনী। এজন্যই লেখকের কলমের কালিকে শহিদের রক্তের চেয়ে পবিত্র বলা হয়েছে। অথচ বাংলাদেশে সে কাজটি যথার্থ ভাবে হয়নি। ফলে সত্য ও ন্যায়নীতি পরাজিত দেশটির সর্বত্র। ইসলামের পক্ষের শক্তি আজ পরাজিত শক্তি। এবং দুর্বৃত্তি ছেয়ে গেছে শুধু প্রশাসনে, রাজনীতি ও ব্যবসা-বাণিজ্যে নয়, বুদ্ধিবৃত্তিতেও। যে সমাজে নামায রোযা আছে অথচ রাজনীতি ও বুদ্ধিবৃত্তিতে সত্য ও ন্যায়ের পক্ষ নেওয়ার লোকের অভাব সে সমাজে সুবিচার, সুনীতি ও শান্তি আসে না। তখন সুস্থ্য সমাজ ও রাষ্ট্র নির্মিত হয় না।  সে দেশে অতিশয় দুর্বৃত্তরাও তখন নেতা হয়, এমপি হয় এবং মন্ত্রীও হয়। মিথ্যাজীবীরা তখন বুদ্ধিজীবী রূপে গন্য হয়। দেশ তখন দূর্নীতিতে বার বার বিশ্ব রেকর্ড গড়ে। আর বাংলাদেশ তো তেমনই এক দেশ।
 
Behind the Myth of 3 million Print E-mail
ePublication
Written by Dr. M. Abdul Mu’min Chowdhury   
Thursday, 01 February 1996 00:00
Many myths have been formed around the creation of Bangladesh. Among them is the fiction that the defeated Pakistan Army savagely killed three million people and raped three hundred thousand women during their less than nine months unsuccessful fight to preserve the integrity of a united Pakistan.

Recalling this 'heinous' Pakistani crime with suave moral indignation was made into a national ritual. Not only the beaten Pakistan Army but also the subverted Pakistan came to be portrayed as inherently evil and her dismemberment a triumph of civilized values over barbarism. No less a figure than the 'Father of the Nation' was made to consecrate the lore. With his stamp of authority behind it, his grateful children were implicitly compelled into faithfully repeating it. Not to accept it as 'the whole truth, nothing but the truth' with unquestioning faith was to fall short of being a 'Bengali patriot'. In those hallucinatory days of 'liberated' Bangladesh, the premium for such a terrible shortcoming was not merely dear, but potentially fatal. The 'permanent disappearance' of Zahir Raihan, the celebrated writer and film director, who showed the audacity of forming and heading 'The Buddhijibi Nidhan Tayithanusandhan Committee' (The Fact Finding Committee on the Killing of Intellectuals), in January 1972 [1] was a calculated warning to all doubting Bangladeshis. Understandably, the skeptics kept quiet and the scoundrels and the credulous joined the chorus masters in singing the saga of three million ‘martyrs’ and three hundred thousand 'heroines'.
 
বাংলাদেশঃ মারাত্মক অপপ্রচারণা, ষড়যন্ত্র ও ভারতীয় আধিপত্যবাদের শিকার Print E-mail
ePublication
Written by এম, টি, হোসেন   
Friday, 15 November 1996 02:00

প্রারম্ভিক কথা
পূর্ব পাকিস্তানকে বিচ্ছিন্ন করার যে প্রক্রিয়া ১৯৭১ সনে পূর্ণতা লাভ করে তার স্থপতি-কারিগর হচ্ছে ভারত। নতুন রাষ্ট্র হিসেবে পাকিস্তানের জন্ম লাভের পরপরই ভারতীয় সংবাদপত্র এই মর্মে এক বিদ্বেষপূর্ণ প্রচারণা শুরু করে যে পূর্ব পাকিস্তান হচ্ছে পশ্চিম পাকিস্তানের ‘কলোনী’ এবং উক্ত প্রচারণায় এটাও বলা হয় যে, পূর্ব পাকিস্তানকে কেবল নিষ্ঠুর রাজনৈতিক শোষণই নয়, সাংস্কৃতিক এবং অর্থনৈতিকভাবেও শোষণ করা হচ্ছে। ঐ বিদ্বেষপূর্ণ প্রচারণাকে আরো ফুলিয়ে-ফাঁপিয়ে বলার জন্যে সেই সময়কার পূর্ব পাকিস্তানের একশ্রেণীর বুদ্ধিজীবিরূপী ভারতীয় চর অতি উৎসাহের সাথে উঠে পড়ে লাগে এবং সে কাজে তারা বছরের পর বছর থেকে লেগে থাকে। আর তাদের সেই অতি উৎসাহী ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত তৎপরতায় সামিল হয় তখনকার একশ্রেণীর সংবাদপত্র। পূর্ব পাকিস্তানের সাধারণ মানুষ তাদের প্রচারণায় অতিদ্রুতই কাবু হয়ে যায়। সাধারণ মানুষ এটা সত্যি সত্যিই বিশ্বাস করে যে, তাদের সকল ধরণের দুর্ভোগ ও দুঃর্ভাগ্যের জন্য দায়ী হচ্ছে পশ্চিম পাকিস্তানীরা। ফলে ষাট-এর দশকের শেষ দিকে উক্ত প্রচারণার শিকার পূর্ব পাকিস্তানীরা এটা বদ্ধমূলকভাবে বিশ্বাস করতে শুরু করে যে, পশ্চিম পাকিস্তানীদের যদি পূর্ব পাকিস্তানের মাটি থেকে তাড়িয়ে দেয়া যায়, তা হলে পূর্ব পাকিস্তান সোনার বাংলায় পরিণত হয়ে যাবে-যেখানে দুধ ও মধুর নহর বইবে আর তারা তা অবারিতভাবে উপভোগ করবে।

উপরিউল্লেখিত বিদ্বেষপূর্ণ প্রচারণার জন্ম দেয়া হতো ভারতের মাটিতে, আর তা পূর্ব পাকিস্তানের সংশ্লিষ্ট সংবাদমাধ্যম ও বুদ্ধিজীবিদের নিকট সরবরাহ করা হতো। সেই প্রচারণাকে মোকাবেলার ক্ষেত্রে পাকিস্তানী সংবাদ মাধ্যম অত্যন্ত দূর্বলতার পরিচয় দেয় কিংবা তারা বোকার মতো এক ধরণের আত্মপ্রসাদ-এ তন্ময় হয়ে থাকে। ফলে ১৯৭১ সালে পতন ঘটে পূর্ব পাকিস্তানের; আর সে ধ্বংসাবশেষ থেকে অভ্যুদয় ঘটে স্বাধীন বাংলাদেশের।

 
উপসংহার Print E-mail
একাত্তরের স্মৃতি
Written by অধ্যাপক সৈয়দ সাজ্জাদ হোসায়েন   
Friday, 01 October 1993 00:13

পাকিস্তানে পাটকল, সুতার কল, টেক্সটাইল মিল ইত্যাদি যা প্রতিষ্ঠিত হয় সেটা নাকি শুধু বঞ্চনা এবং শোষণের প্রমাণ। পাকিস্তান আমলেই এ অঞ্চলে গ্যাস আবিষ্কৃত হয়। গ্যাস তো হঠাৎ করে সৃষ্টি হয়নি। বহু শতাব্দী ধরে মাটির নীচে মওজুদ ছিলো। কিন্তু বৃটিশ আমলে কখনোই পূর্ব বাংলায় গ্যাসের অনুসন্ধান করা হয়নি। পাকিস্তানে প্রথম গ্যাস আবিস্কৃত হয় সিন্ধুর সুই এলাকায়। তার অব্যবহিত পরে হরিপুর এবং বাখরাবাদে গাসের সন্ধান পাওয়া যায়। কিন্তু এ তথ্যের মূল্যায়ন আওয়ামী লীগের কাছে পাইনি।

আগাগোড়াই বলা হয়েছে যে পাকিস্তান আমলে আমাদের ইতিহাস ছিলো শুধু বঞ্চনার ইতিহাস; কেন্দ্রীয় শাসনকর্তারা এ অঞ্চলটাকে যথাসম্ভব অনুন্নত রাখবার চেষ্টা করতেন। '৭১ সালে যুদ্ধ শুরু হবার পর সমাজবিজ্ঞান বিভাগের মিঃ হাসিব আমার সামনে তাঁর বৃটিশ স্ত্রীকে বলেন, এ অঞ্চলটা পশ্চিম পাকিস্তানের জন্য হচ্ছে শুধু কাঁচামাল সরবরাহের কেন্দ্র। ঐ ভদ্র মহিলা প্রশ্ন করেছিলেন এ বিদ্রোহ কেন হচ্ছে? কৌতুকের কথা আমি জেল থেকে বেরুবার পর মিঃ হাসিব একদিন ঢাকায় আমার সাথে সাক্ষাৎ করতে আসেন। পরনে একটা পুরানো লুঙ্গি, গায়ে ময়লা শার্ট, পায়ে ছেঁড়া স্যান্ডেল এবং হাতে একটা ভাঙ্গা ছাতা। আমি বললাম, আপনার এ অবস্থা কেনো?

 
Preface Print E-mail
The Wastes of Time
Written by Syed Sajjad Husain   
Thursday, 08 December 1994 00:00
As I have explained in the text of the book, these memoirs were written in 1973 in the Dhaka Central Jail where I was being held as a 'collaborator' for not supporting Sheikh Mujibur Rahman in his campaign against Pakistan. I was not a politician; had never been a member of any political party; but I had agreed at the request of the Yahya government in July 1971 to visit London and the USA to explain to those whom I might meet that the struggle in East Pakistan was a struggle between those who were determined to wreck Pakistan and those whose loyalty to its ideology would not let them align themselves with a movement against its integrity.

The mood that dominated me in prison was one of outrage, anger, frustration, and hopelessness. Physically disabled by an abortive attempt to assassinate me, tortured by the feeling that all I had believed in had crashed in ruins around me, and that we had suffered a defeat from which it would be impossible to recover in the foreseeable future, convinced that the change of 1971 could bode no good to my people, oppressed by the thought that could see no ray of hope, I sat down to record my reflections on the whole series of events which had culminated in the disaster of December 1971.