Home Blog

eBooks

Latest Comments

Blog
ভারতের টিপাইমুখ বাঁধ এবং পানিযুদ্ধের মুখে বাংলাদেশ Print E-mail
Dr Firoz Mahboob Kamal
Wednesday, 01 July 2009 02:44

ভারত বিশাল বাঁধ দিচ্ছে বরাক নদীর উপর। এ বরাক নদীই বাংলাদেশের অমলশীদ নামক জায়গায় সুরমা ও কুশিয়ারা নদীতে বিভক্ত হয়েছে। আবার আজমেরী গঞ্জে এসে একত্রিত হয়ে মেঘনা নদীর জন্ম দিয়েছে। যৌথ পানি কমিশনের সাবেক বাংলাদেশী সদস্য তৌহিদ আনোয়ার খান বলেন, সুরমা ও কুশিয়ারার পানি প্রবাহের মূল উৎস হলো বারাক নদী। তার মতে বরাক নদীর পানির শতকরা প্রায় ৮০ ভাগ পায় কুশিয়ারা, আর প্রায় ২০ ভাগ পায় সুরমা। সিলেটের জকিগঞ্জ সীমান্ত থেকে ১০০ কি.মি. উজানে এ নদীর উপরই টিপাইমুখ জায়গায় নির্মিত হচ্ছে বাঁধ। এ বাঁধ শেষ হবে ২০১২ সালে। উজানে বাঁধ দিলে স্বভাবতই ভাটির নদী পানি পায় না। এটুকু শুধু স্কুলের ছাত্র নয়, নিরক্ষর মানুষও বুঝে। কারণ এটুকু বুঝবার জন্য সামান্য কান্ডজ্ঞানই যথেষ্ট। কিন্তু বুঝতে রাজী নয়, আওয়ামী লীগের দলীয় নেতৃবৃন্দ ও আওয়ামী ঘরানার সরকারি কর্মকর্তাগণ।

 
Baseless Tainting of Historical Facts Print E-mail
T M Hussain
Thursday, 25 June 2009 00:00

The 21st June Verdict

That a division bench of the Bangladesh High Court passed a judgment on the 21st June (09) in re-fixing up a fact that is exclusively of the by gone days record of history of Bangladesh not known to be authentically challenged before in about four decades but occasionally by some loose talks of no importance. The bench is commendable for the pertinent fact that the case was settled just only in two months period after filing the petition in the backdrop of the well known facts that many more important and thousands of other more crucial cases have been remaining pending in the same system not for months or years but for decades without even coming in to the cause list!

 
যে ব্যর্থতা দেশগড়া ও দেশের প্রতিরক্ষার ক্ষেত্রে Print E-mail
Dr Firoz Mahboob Kamal
Monday, 04 May 2009 11:19
মুসলিম বিশ্বজুড়ে এখনও জেঁকে বসে আছে স্বৈরাচারি শাসন। কোথাও সেটি নির্ভেজাল রাজতন্ত্রের নামে, কোথাও সেটি সামরিক স্বৈরশাসকের নামে আবার কোথাও বা গণতন্ত্রের ছদ্দবেশে। বার বার নির্বাচন হলেই যে স্বৈরাচারি শাসনের মৃত্যু ঘটে তা নয়। হিটলারও ক্ষমতায় এসেছিল নির্বাচনে বিপুল ভোট পেয়ে। কিন্তু জনগণের ভোটে তার সে বিপুল বিজয় জার্মান জাতিকে গণতন্ত্র উপহার দেয়নি। বরং দিয়েছিল সে জাতির ইতিহাসে সবচেয়ে দুঃসহনীয় স্বৈরশাসন। শেখ মুজিবও বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়েছিল। কিন্তু তার সে বিজয়ে বাংলাদেশে গণতন্ত্র আসেনি। বরং তার সে বিজয়ে চালু হয়েছিল একদলীয় স্বৈরশাসন এবং নিষিদ্ধ হয়েছিল সকল বেসরকারি রাজনৈতিক দল। নিষিদ্ধ হয়েছিল সকল সরকার বিরোধী পত্র-পত্রিকা। কিন্তু এরপরও মুজিব নিজেকে বড্ড গণতান্ত্রিক মনে করতেন। আর এটি শুধু অতীতের বিষয় নয়, বর্তমানের বিষয়ও।
 
বাংলাদেশে সেকুলারিজমের তান্ডব ও ইসলামি চেতনার বিপন্নদশা Print E-mail
Dr Firoz Mahboob Kamal
Friday, 12 December 2008 20:42
বাংলাদেশ একটি মুসলিম দেশ রূপে পরিচিত হলেও, দেশটিতে যে চেতনা বা মতবাদটি বিজয়ী সেটি ইসলাম নয়। আইন রূপে যে বিধিমালা আদালতে প্রতিষ্ঠিত সেটিও আল্লাহর আইন নয়। ব্যবসা-বাণিজ্য, ব্যাংক-বীমা ও সাধারণ মানুষের প্রাত্যাহিক জীবনে যে আচার, রীতিনীতি বা সংস্কৃতিটি বিজয়ী সেটিও ইসলামী নয়। বাংলাদেশে বিজয়ী জীবনদর্শনটি হল সেকুলারিজম। তবে দেশটিতে সেকুলারিজম যেভাবে ধর্ম-নিরপেক্ষতা বুঝাতে ব্যবহৃত হয়ে থাকে শব্দটির প্রকৃত অর্থ তা নয়। সেকুলারিজমের এটি এক ভূল, বিভ্রান্তিকর এবং সে সাথে প্রতারণামূলক ব্যাখা। ধর্ম নিয়ে সেকুলারিজম যেমন নীরব নয়, তেমনি নিরপেক্ষও নয়। সেকুলারিজমের আভিধানিক অর্থ হল ইহজাগতিকতা। এটি হল এমন এক বিশ্বাস বা চেতনা যা শিক্ষা, সাহিত্য, সংগঠন ও রাজনীতির ক্ষেত্রে ধর্মের কোন ভূমিকা ও প্রভাবকে স্বীকার করে না।
 
আযাবের গ্রাসে বাংলাদেশ Print E-mail
Dr Firoz Mahboob Kamal
Friday, 15 May 2009 23:54
মুসলমান হওয়ার শর্ত শুধু এ নয়, আল্লাহকে উপাস্য এবং মুহাম্মদ (সাঃ)কে তাঁর রাসূল রূপে মেনে নিবে। বরং এ বিশ্বাসও অবশ্যই থাকতে হবে যে আল্লাহর বিরুদ্ধে প্রতিটি অবাধ্যতা ও বিদ্রোহ আযাব ডেকে আনে। আর সে অবাধ্যতা ও বিদ্রোহ একটি জনগোষ্ঠির সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগণ ও তাদের নেতাদের দ্বারা হলে তখন আযাব অনিবার্য হয়ে পড়ে সে জনগোষ্ঠির উপর। পবিত্র কোরআনে সে কথা একবার নয়, বহু বার বলা হয়েছে। তাছাড়া এ শিক্ষা ইতিহাস বিজ্ঞানেরও। বাংলাদেশের বিপর্যয় কেবল রাজনৈতিক নয়। নিছক সামরিক, শিক্ষা-সাংস্কৃতি, অর্থনীতি ও আইন-শৃঙ্খলার ক্ষেত্রেও নয়। বরং সবচেয়ে বড় বিপর্যয়টি ঘটছে মুসলমানদের মুসলমান রূপে বেড়ে উঠা নিয়ে। আর মুসলমান হওয়ার অর্থ শুধু নামায-রোযা পালন নয়, বরং আল্লাহর প্রতিটি হুকুমের প্রতি পূর্ণ আনুগত্য। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রচন্ড আফসোস ছিল বাঙ্গালীর মানুষ রূপে বেড়ে উঠার ব্যর্থতা নিয়ে। তিনি লিখেছেন, “হে বিধাতা, সাত কোটি প্রাণীরে রেখেছো বাঙ্গালী করে, মানুষ করনি।” রবীন্দ্রনাথ এ কথা বলেছেন প্রায় শত বছর আগে। বিগত শত বছরে মানুষ রূপে বেড়ে উঠার এ ব্যর্থতা না কমে বরং প্রকট ভাবে বেড়েছে।
 
বাংলাদেশে নির্বাচন ও পরাজিত ইসলাম Print E-mail
Dr Firoz Mahboob Kamal
Sunday, 11 January 2009 02:34
সম্প্রতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলো বাংলাদেশে। বিজয়ী হলো তারাই যারা ১৯৭০ এ নির্বাচিত হওয়ার পর বাংলাদেশে ইসলামের নামে রাজনীতি নিষিদ্ধ করেছিল। নিষিদ্ধ করেছিল সকল বিরোধী রাজনৈতিক দল। নিষিদ্ধ করেছিল সকল সরকার-বিরোধী পত্র-পত্রিকা। প্রতিষ্ঠিত করেছিল একমাত্র রাজনৈতিক দল বাকশাল। তাদের কাছে ইসলামি সংগঠন যেমন অসহ্য ছিল, তেমনি অসহ্য ছিল কোরআনের আয়াত ও ইসলাম শব্দটি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোগ্রাম থেকে তারা কোরআনের আয়াত তুলে দিয়েছিল। রেডিও-টিভি সম্প্রচারে বন্ধ করেছিল কোরআনের দরস। যেসব প্রতিষ্ঠানের নামের সাথে ইসলাম শব্দটি ছিল সেটিও তারা তুলে দেয়েছিল, ফলে তাদের আমলে ঢাকার নজরুল ইসলাম কলেজ হয়ে যায় নজরুল কলেজ। তাদের চেতনা ও রাজনীতির চিত্রটি আজও অভিন্ন। দিন পাল্টে গেলেও তাদের মন পাল্টায়নি। সমাজ ও রাষ্ট্রজুড়ে ইসলামের বিজয় বা প্রতিষ্ঠার প্রতি যে কোন অঙ্গিকার তাদের কাছে আজও সাম্প্রদায়িকতা।
 
আওয়ামী লীগের ঘৃণার রাজনীতি এবং সংঘাতের পথে বাংলাদেশ Print E-mail
Dr Firoz Mahboob Kamal
Saturday, 09 May 2009 20:55
নির্বাচনের পূর্বে আওয়ামী লীগ ও তার মিত্রদের মূল লক্ষ্য ছিল, যেভাবেই হোক নির্বাচনী জয়। এজন্য তারা মিত্রতা গড়েছে সামরিক-বেসামরিক নানা পক্ষের সাথে। বিজয়ের পর এবার তাদের এজেন্ডা নিজেদের রাজনৈতিক দখলদারির স্থায়ী রূপ দেওয়া। সে লক্ষ্যে এখন তারা দখলদারি জমাতে চায় দেশবাসীর মনের ভূবনে। কারণ, একমাত্র চেতনার মানচিত্রের সাথেই স্থায়ী যোগসূত্র হলো রাজনৈতিক মানচিত্রের। এটি পাল্টে গেলে তাই পাল্টে যায় রাজনৈতিক মানচিত্রও। এজন্যই রাজনৈতিক বিজয়ের পর পরই প্রতিটি কৌশলি রাজনৈতিক পক্ষ্যই সাংস্কৃতিক ও আদর্শিক বিজয়ে মনযোগী হয়। ইরানের জাতিয়তাবাদীরা ছিল এক্ষেত্রে অতি ধুরন্ধর। তারাই রাজনৈতিক বিচ্ছিন্নতার পর আদর্শিক ও ধর্মীয় বিচ্ছিন্নতাকে পাকাপোক্ত করে। ইতিহাস থেকে তার একটি উদাহরণ দেওয়া যাক। ইসলামী সভ্যতার নির্মাণে শুরুতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে ইরান।
 
ধর্ম-নিরপেক্ষতার নামে মিথ্যাচার Print E-mail
Dr Firoz Mahboob Kamal
Thursday, 01 January 2009 13:09
অনেক মুসলমানও পাশ্চাত্যের নীতিকে ধর্ম-নিরপেক্ষ বলে প্রশংসায় বিভোর। তাদের যুক্তি, পাশ্চত্য দেশগুলীতে নামায-রোযার স্বাধীনতা রয়েছে। রয়েছে মসজিদ ও মাদ্রাসার গড়ার স্বাধীনতা। রয়েছে ধর্মীয় লেবাস পড়ে রাস্তায় চলাফেরা ও ধর্মীয় উৎসব পালনের স্বাধীনতাও। পাশ্চাত্য দেশের অনেক সরকার মসজিদ গড়ার জন্য জমি দেয়, এমনকি অর্থও দেয়। তারা আরো উল্লসিত যে, রোযার মাসে মার্কিন প্রেসিডেন্ট হোয়াইট হাউসে মুসলিম নেতাদের ইফতারির দাওয়াত দেয় এবং ঈদের দিনে বাণীও দেয়। যে কারণে তারা পাশ্চাত্যে এ আচরণে প্রশংসায় সোচ্চার তার মূল কারণ মূলতঃ একটিই। আর তা হল অজ্ঞতা। আর সে অজ্ঞতা যেমন ইসলামের মূল শিক্ষা নিয়ে, তেমনি ইসলামের বিরুদ্ধে পাশ্চাত্যের মূল এজেন্ডা নিয়ে। অজ্ঞতার কারণেই তারা ইসলামকে অন্যান্য ধর্মের সাথে এক করে ফেলে। পাশ্চাত্যের রাষ্ট্রগুলো ধর্মীয় স্বাধীনতা বলতে বিভিন্ন ধমের্র অনুসারিদের যে অধিকার দেয় সেটি উদার নয়, উম্মূক্তও নয়।
 
«StartPrev1234NextEnd»

Page 3 of 4