Home Blog

eBooks

Latest Comments

Blog
রাজাকারের চেতনা বনাম মু্ক্তিযোদ্ধার চেতনা Print E-mail
Dr Firoz Mahboob Kamal
Sunday, 16 August 2009 01:18

কেন এ লেখা?
একটি জনগোষ্ঠীর জীবনে অতিগুরুত্বপূর্ণ হল তার ইতিহাস। ইতিহাস-জ্ঞান একটি জাতিকে দেয় প্রজ্ঞা, দেয় দূরদৃষ্টি, দেয় সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের সামর্থ। যে জাতি ইতিহাস থেকে শিক্ষা নেয় না, সে জাতির ভবিষ্যতের পথ চলাটি সঠিক হয় না, সুখেরও হয় না। পদে পদে ভ্রান্তি হয়। বিশ্বাসঘাতকদের বার বার বন্ধু মনে হয়। জাতির জীবনে তখন পলাশি আসে বার বার। তাই শুধু সাহিত্য, বিজ্ঞান, ধর্ম-শাস্ত্র, কৃষি, বাণিজ্য বা চিকিৎসা-বিজ্ঞানের চর্চা বাড়িয়ে একটি জাতির বাঁচা আদৌ সুখের হয় না। এজন্যই ইতিহাস-বিজ্ঞানকে বলা হয় শ্রেষ্ঠ বিজ্ঞান। কিন্তু পাকিস্তানের ২৩ বছরে এবং বাংলাদেশে ইতিহাস-চর্চার সাথে সুবিচার করা হয়নি। গুরুত্বও আরোপ করা হয়নি। ১৯৪৭ সালে পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার পর দেশটিতে অনেকগুলো মেডিকেল কলেজ, ইঞ্জিনীয়ারিং কলেজ, ইঞ্জিনীয়ারিং বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত করা হয়েছিল। প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল বহু হাজার স্কুল-কলেজ ও মাদ্রাসা। প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল বিশ্বের সর্ববৃহৎ পাটের কলসহ শতাধিক কলকারখানা।

 
১৫ই আগষ্ট গর্বের বিষয়- লাজের কিছু নয় Print E-mail
T M Hussain
Saturday, 15 August 2009 00:00

১. অহেতুক দূরত্বে থাকা
পঁচাত্তরের ১৫ই আগষ্ট ঢাকায় যে ঐতিহাসিক বিপ্লবী একটা ঘটনা ঘটেছিল, তা নিয়ে বাংলাদেশে কারও কারও লাজ-লজ্জা হয়। এই হীনমন্যতার কি কোন সবল যৌক্তিক কারণ আছে?
এদের কেউ কেউ বলতে চান যে ওদিন ঢাকায় একটি অঘটন ও দুঃখজনক খুনা-খুনী হয়েছিল কিছু প্রাণ নষ্ট হয়েছিল। তাই সেই খুন-খারাবীর জন্য আফসোস করা বাঞ্চনীয়। অনেকে তাই দূরত্বে থাকে-থাকতে চায়।
সন্দেহ নাই যে ঐ দিন ঢাকায় দুর্ভাগ্যবশতঃ কিছু প্রাণহানি হয়েছিল। যে কোন নিরীহ- নিদোর্ষ মানুষের প্রাণ নাশ যেহেতু কোন ভাল কাজ নয়, তাই ওই ঘটনাটিতে প্রাণ নাশও খারাপ কাজ হয়েছিল। সহজ সরল বিচারে এই যুক্তিটি ফেলনা নয়। কিন্তু যে প্রেক্ষিতে সেই পঁচাত্তরের পনরই আগষ্ট এর প্রত্যুষে ঢাকায় সংঘটিত হয়েছিল, তা কি কোন যেমন তেমন বিষয় ছিল? নাকি রাজনৈতিকভাবে বিশেষ করে বাংলাদেশের মানুষের আজাদী-নিশ্চিত করার জন্য অতি জরুরী একটি কাজ ছিল?

২. সফল সামরিক অভ্যুত্থান বৈধ
বস্তুতঃ পঁচাত্তরের ১৫ই আগষ্ট ঢাকায় যে রাজনৈতিক ক্ষমতার হাত বদলের লক্ষ্যে সফল সামরিক অভ্যুত্থান হয়েছিল, তা অভিনব বা নজীরবিহীন কোন ঘটনা ছিল না। এমন অনেক সফল বা বিফল অভ্যুত্থান অতীতে যেমন অনেক দেশে হয়েছে তেমনি এখনও কোন কোন দেশে হয়েই চলেছে। সফল অভ্যুত্থান রাজনৈতিক ক্ষমতার হাত বদলের একটি স্বীকৃত এবং বৈধ উপায়। আন্তর্জাতিক আইনের FACTUM VALET ম্যাক্সিমটি এই সফল সামরিক অভ্যুত্থানকে বৈধ বলে ধরে নেয়। তবে হ্যাঁ, বিফল অভ্যুত্থান বৈধতা পায় না। অবৈধই শুধু হয় না, বরং তা শাস্তিযোগ্য অপরাধ বলেও বিবেচিত হয়। কিন্তু সফল অভ্যুত্থান তেমন কোন অপরাধের বিষয় হিসেবে আইনসিদ্ধ নয়। অন্য-কথায় বলা যায় যে সফল অভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে রাজনৈতিক ক্ষমতায় বৈধ-সরকার গঠন করার স্বীকৃতি দেয়। একই কারণে অভ্যুত্থানে কোনরূপ রক্তক্ষয়ের জন্য অভ্যুত্থানকারীদের Indemnity ও প্রদান করে। এই সফলতার Indemnity এর কারণেই তাই ১৯৭৫ থেকে ১৯৯৬ এর আগষ্ট মাস পর্যন্ত একুশটি বছর সেই অভ্যুত্থানকারীদের বিরুদ্ধে কোন মামলা দায়ের কেউই করেন নি। করার অবকাশও ছিল না। তবে একটি জিডি হয়েছিল মাত্র সংশিষ্ট এলাকার ধানমন্ডি থানায়। আর অন্য কোন সুনির্দিষ্ট মামলা হয়নি। খুনের মামলাতো নয়ই।

 
স্বাধীনতার শত্রুপক্ষ ও ভারতীয় স্ট্রাটেজী Print E-mail
Dr Firoz Mahboob Kamal
Tuesday, 28 July 2009 22:39
দেহে প্রাণ থাকলে যেমন রোগভোগের সম্ভাবনা থাকে, তেমনি কোন দেশের স্বাধীন মানচিত্র থাকলে শত্রুপক্ষও থাকে। তাই তেমন শত্রুপক্ষ নিঃসন্দেহে বাংলাদেশেরও আছে। তবে কারা সে শত্রুপক্ষ সেটি বুঝতে হলে বাংলাদেশের ভৌগলিক প্রেক্ষাপট এবং সে সাথে ভারতের স্ট্রাটেজী বা রাজনীতিকে বুঝতে হবে। বাংলাদেশের ভৌগলিক প্রেক্ষাপট অন্যান্য মুসলিম দেশগুলি থেকে ভিন্ন। মায়ানমারের সাথে সামান্য কয়েক মাইলের সীমান্ত ছাড়া তিন দিকেই ভারত। পার্শ্বে বা নিকটে কোন মুসলিম দেশ নেই। বাংলাদেশের ইতিহাসে অনভিজ্ঞ কোন অমুসলিমের কাছে দেশটির ভূগোল নিঃসন্দেহে বিস্ময়কর। বাংলাদেশের স্বাধীন অস্তিত্ব এদের অনেকের কাছেই বোধগম্য নয়। বিষয়টিকে ইচ্ছা করেই আরো বিভ্রান্তিকর করা হচ্ছে ভারতে। ভারতের বিশাল ভূগোলের মাঝে ক্ষুদ্র বাংলাদেশের অবস্থান সেদেশের স্কুল-ছাত্রদের কাছে উপস্থাপিত হয় এক বিরক্তিকর ও প্রশ্নবহ বিষয় রূপে।
 
বাংলাদেশে স্বাধীনতার ঘোষক প্রসঙ্গ নিয়ে শেখ হাসিনা মুজিবকে ছোট করছেন Print E-mail
T M Hussain
Saturday, 04 July 2009 00:00

১৯৪৯ সালের জুন থেকে ২০০৯ সালের জুনে আওয়ামী লীগ এদেশের একটি রাজনৈতিক দল হিসেবে ষাট বছর পুরণ করলেও নির্বাচনে সৎভাবে জিতেছে মাত্র দু’বার। ১৯৭০ ও ১৯৯৬ এ। ২০০৮ এর নির্বাচনে যে ডিজিটাল কারচুপি হয়েছে, তা তো এখন পরিষ্কার। ১৯৭৩ এর নির্বাচনটি ছিল প্রহসন মাত্র; ৭০ এর চেয়েও কারচুপি হয়েছিল অনেক বেশী; তবুও এসব বিজয়ের যদি মোট ভোটার সংখ্যার পাটিগণিত কষা যায় তাহলে তারা দল হিসেবে নির্বাচনে জিতলেও অধিকাংশ ভোটার বা জনগণের সমর্থন পায় নি। ১৯৭০ এর সেই নৌকার হৈ হৈ রৈ রৈ এর প্রপ্যাগান্ডার চরম বিপরীতে ঐ দলটিকে ভোটাররা ভোট দিয়েছিল মাত্র ৩৭% বা ঐ সংখ্যক মানুষ। অর্থ্যাৎ ৬৩ ভাগ ভোটার বা সেই অর্থে জনমানুষ ওদের নৌকায় ভোট দেয়নি। ১৯৭৩ এর নির্বাচন ছিল ৭০ এর নির্বাচনেরই সংস্করন মাত্র-ভিন্ন কিছু নয়। এরপর ১৯৯৬ এর নির্বাচনে ঐ দলটি আরও কম ভোট পেয়েছিল-৩৪%। আর ২০০৮ এর নির্বাচনে যে ৪৭% ভোট তাদের বাক্সে পড়ে তার ডিজিটাল কারচুপির গোমর কেবল ফাঁক হওয়া শুরু করেছে। মঈন গংরা এজন্য যে আজ হোক-কাল হোক অপরাধীর কাঠগড়ায় দাঁড় হবেই তা বোধ করি এখন সঠিক আন্দাজের ব্যাপার মাত্র।

 
Comments on 1971 'Genocide' Print E-mail
T M Hussain
Friday, 07 August 2009 02:55

Brief Comments on the 30-31 July Dhaka Conference of the War Museum Sponsors

The conference said to be exploring truths about ‘genocide’ in Bangladesh in 1971 had all in the main propaganda rhetoric rather than facts about the issue the sponsors stated to highlight.

1. First, they had a skull of a human being, and had some more in their museum; but of what ethnic group that or those skulls belong to- Bengalis, Biharis, Panjabis, Pathans, Tribals; in 1971 it was not true that the Bengalis had alone been killed but of all the ethnic genres as mentioned above.

2. They started with the grossly inflated untrue figure that 3 million people had been killed; not any authentic international document like those prepared by Sisson & Rose (Harvard, 1990), Small and Singer (New York, 1982) or even by Indian Sharmila Bose (2005) does agree with the figure. These researchers stood for about a figure that would not exceed 300,000; not that they dispute the figure alone but very clearly stated with their facts of research that those killed in 1971 fell mainly into two groups pro-Bangladeshis and pro Pakistanis.

 
Political Witch-Hunting: No Fair Trial of War Crimes in Bangladesh Print E-mail
T M Hussain
Saturday, 11 July 2009 03:02

War Crimes Act 2009

That the war crimes tribunal bill was passed on the 9th July in the Bangladesh Parliament and that the trial of the violators of human rights of 1971 is to begin soon as per the act just passed and just as the law Minister has iterated to the press, it is expected by all sensible persons that 100% neutrality would be maintained in the due process of law.

Partisan

The point of neutrality has many facets that the due process would certainly take care of. Even so, I have a fear that not all perpetrators of human rights would be taken to task and put to the dock in the due process of law. That is what I intend here to point out for all those wishing for fairness of the trials that the Law Minister is known to have assured.

 
স্বাধীনতায় এত সংকট কেন? Print E-mail
Dr Firoz Mahboob Kamal
Wednesday, 05 August 2009 22:52
আলাদা মানচিত্র বা ভিন্ন পতাকাই কি স্বাধীনতার সবটুকু? এমন মানচিত্র ও পতাকা ভূটানের মত বিশ্বের বহু দেশেরই রয়েছে। একসময় সিকিমেরও ছিল। স্বাধীনতার অর্থ নিজের অধীনতা। অপরদিকে পরাধীনতায় অধীনতা অপরের। এবং সেটি শত্রুপক্ষের। স্বাধীন দেশকে পরাধীন করার অমানবিকতা ইতিহাসে প্রচুর। সভ্যতার দাবীদার ইউরোপীয়রা এমনকি দেড় শত বছর আগেও আফ্রিকার মানুষদের গলায় রশি বেঁধে গরুছাগলের ন্যায় জাহাজে তুলেছে, পরিবার-পরিজন থেকে আলাদা করেছে এবং আটলান্টিকের ওপারে নিয়ে নিলামে তুলেছে। কেউ মনিব এবং কেউ ক্রীতদাস এ বিভাজন শুধু ব্যক্তি পর্যায়ে সীমাবদ্ধ থাকেনি। বিশ্বটা অধিকৃত পরাধীন দেশ এবং আধিপত্যবাদী সাম্রাজ্যবাদী দেশ - এ দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে যায়। মনিবের কাছে যা অধিকার পরাধীন গোলামের জন্য তা বিদ্রোহ বা ঔদ্ধত্য গন্য হতে থাকে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বিগত শতাব্দিতে নিছক মানবিক অধিকার চাওয়ার অপরাধে হাজার হাজার কৃষ্নাঙ্গ কৃতদাসকে বিচারের নামে ফাঁসীতে ঝুলিয়ে হত্যা করা হয়েছে।
 
Bangladesh: Monarchy in Making Print E-mail
T M Hussain
Tuesday, 07 July 2009 00:00

Monarchy Waning Elsewhere but Shaping in Bangladesh

No matter whether the withering tradition and old institution of monarchy building is almost lost in oblivion, Bangladesh has embarked fresh on the lost model. The Bangladesh Cabinet chaired by the Prime Minister Sheikh Hasina has taken a silly decision on the 6th July 09 and to take effect on and from the day, the government that observed their completion of the six months’ ‘success story day’, as well, in power. The decision approved by the cabinet provided not only life long Special Security Force (SSF) but also in highly fortified big buildings abode in the capital city protection for the Prime Minister herself and for her younger sister Sheikh Rehana being the daughters of the founder in 1971 of Bangladesh Sheikh Mujibur Rahman. Huge costs involved in the projects for how many years and for decades or if to end with the two only or to extend later on for other family members, no one knows for sure at this time, would all be met from the public treasury of the impoverished nation. There is, however, already a clamor in the air and street that similar SSF security should also be provided for the opposition leader Khaleda Zia and her family members. Earlier in her first term (1996-2001), Sheikh Hasina did enact such a provision for herself and Rehana that were later on turned down by the next BNP Government in 2002. In 2009, the Hasina government repeated enacting the same immoral act if not apparently illegal decision that has naturally raised many questions now than had been raised in 2001.

 
«StartPrev1234NextEnd»

Page 2 of 4