Home Blog Dr Firoz Mahboob Kamal

eBooks

Latest Comments

Dr Firoz Mahboob Kamal
যে ব্যর্থতা দেশগড়া ও দেশের প্রতিরক্ষার ক্ষেত্রে PDF Print E-mail
Dr Firoz Mahboob Kamal
Written by ফিরোজ মাহবুব কামাল   
Monday, 04 May 2009 11:19
মুসলিম বিশ্বজুড়ে এখনও জেঁকে বসে আছে স্বৈরাচারি শাসন। কোথাও সেটি নির্ভেজাল রাজতন্ত্রের নামে, কোথাও সেটি সামরিক স্বৈরশাসকের নামে আবার কোথাও বা গণতন্ত্রের ছদ্দবেশে। বার বার নির্বাচন হলেই যে স্বৈরাচারি শাসনের মৃত্যু ঘটে তা নয়। হিটলারও ক্ষমতায় এসেছিল নির্বাচনে বিপুল ভোট পেয়ে। কিন্তু জনগণের ভোটে তার সে বিপুল বিজয় জার্মান জাতিকে গণতন্ত্র উপহার দেয়নি। বরং দিয়েছিল সে জাতির ইতিহাসে সবচেয়ে দুঃসহনীয় স্বৈরশাসন। শেখ মুজিবও বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়েছিল। কিন্তু তার সে বিজয়ে বাংলাদেশে গণতন্ত্র আসেনি। বরং তার সে বিজয়ে চালু হয়েছিল একদলীয় স্বৈরশাসন এবং নিষিদ্ধ হয়েছিল সকল বেসরকারি রাজনৈতিক দল। নিষিদ্ধ হয়েছিল সকল সরকার বিরোধী পত্র-পত্রিকা। কিন্তু এরপরও মুজিব নিজেকে বড্ড গণতান্ত্রিক মনে করতেন। আর এটি শুধু অতীতের বিষয় নয়, বর্তমানের বিষয়ও।
 
বাংলাদেশে নির্বাচন ও পরাজিত ইসলাম PDF Print E-mail
Dr Firoz Mahboob Kamal
Written by ফিরোজ মাহবুব কামাল   
Sunday, 11 January 2009 02:34
সম্প্রতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলো বাংলাদেশে। বিজয়ী হলো তারাই যারা ১৯৭০ এ নির্বাচিত হওয়ার পর বাংলাদেশে ইসলামের নামে রাজনীতি নিষিদ্ধ করেছিল। নিষিদ্ধ করেছিল সকল বিরোধী রাজনৈতিক দল। নিষিদ্ধ করেছিল সকল সরকার-বিরোধী পত্র-পত্রিকা। প্রতিষ্ঠিত করেছিল একমাত্র রাজনৈতিক দল বাকশাল। তাদের কাছে ইসলামি সংগঠন যেমন অসহ্য ছিল, তেমনি অসহ্য ছিল কোরআনের আয়াত ও ইসলাম শব্দটি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোগ্রাম থেকে তারা কোরআনের আয়াত তুলে দিয়েছিল। রেডিও-টিভি সম্প্রচারে বন্ধ করেছিল কোরআনের দরস। যেসব প্রতিষ্ঠানের নামের সাথে ইসলাম শব্দটি ছিল সেটিও তারা তুলে দেয়েছিল, ফলে তাদের আমলে ঢাকার নজরুল ইসলাম কলেজ হয়ে যায় নজরুল কলেজ। তাদের চেতনা ও রাজনীতির চিত্রটি আজও অভিন্ন। দিন পাল্টে গেলেও তাদের মন পাল্টায়নি। সমাজ ও রাষ্ট্রজুড়ে ইসলামের বিজয় বা প্রতিষ্ঠার প্রতি যে কোন অঙ্গিকার তাদের কাছে আজও সাম্প্রদায়িকতা।
 
সংঘাত ও ঐতিহাসিক সম্ভাবনার পথে বাংলাদেশ PDF Print E-mail
Dr Firoz Mahboob Kamal
Written by ফিরোজ মাহবুব কামাল   
Sunday, 02 November 2008 19:19
বাংলাদেশের রাজনীতি, সংস্কৃতি ও বুদ্ধিবৃত্তির সমগ্র ময়দান জুড়ে চলছে সংঘাত। সে সংঘাত নিছক সভা-সমাবেশ, লেখা-লেখি ও রাজনৈতিক দলাদলির মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, নির্মম হত্যাকান্ডও ঘটাচ্ছে। দেশের সেকুলার পক্ষটি এ হত্যাকান্ডকে আরো তীব্রতর ও রক্তাত্ব করতে চায়। তারা দাবী তুলেছে, একাত্তরের ন্যায় আরেকটি যুদ্ধের। অভিন্ন দেশ, অভিন্ন ভাষা, অভিন্ন খাদ্য-পানীয় ও জলবায়ুর দেশ বাংলাদেশ। জনসংখ্যার শতকরা ৯০ ভাগেরও বেশী মুসলমান। খোলাফায়ে রাশেদার আমলেও মুসলমানগণ মোট জনসংখ্যার শতকরা ৯০ ভাগ ছিল না। নানা ভিন্নতায় ভরপুর প্রতিবেশী ভারতসহ বিশ্বের বহু দেশ। প্রশ্ন হল, এতটা অভিন্নতা সত্ত্বেও বাংলাদেশে কেন এ বিরামহীন সংঘাত? কারণ একটিই| ভাষা, বর্ণ ও পোষাকপরিচ্ছদে এক হলেও এক নয় চেতনা, জীবনবোধ ও দর্শন।
 
আত্মবিনাশী বাংলাদেশঃ অভাব যেখানে দর্শনের PDF Print E-mail
Dr Firoz Mahboob Kamal
Written by ফিরোজ মাহবুব কামাল   
Sunday, 10 October 2004 00:00

বাংলাদেশের ব্যর্থতা নিয়ে বিতর্ক নেই। শয্যাশায়ী রোগী পচনে পচনে যখন দুর্গন্ধ ছড়ায় তখন সে রোগ শুধু ঘরের লোকই নয় প্রতিবেশীও টের পায়। বাংলাদেশের বেলায় সেটিই ঘটেছে। দেশটির পচন মূলতঃ নৈতিক। সে নৈতিক পচনের বড় আলামত হলো দূর্নীতি। দূর্নীতিগ্রস্ত দেশ হিসাবে বাংলাদেশের পরিচিতি আজ বিশ্বময়। নানা দেশের কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে উন্নয়নের মডেল রূপে যেখানে আলোচিত হয় জাপান, কোরিয়া বা সিঙ্গাপুর, বাংলাদেশ সেখানে ব্যর্থতার মডেল। অতিশয় বিশাল হয়েও ডায়নোসর যেমন বিশ্ব থেকে হারিয়ে গিয়ে ইতিহাস গড়েছে তেমনি বাংলাদেশের ১৩ কোটি মানুষের বিশাল জনগোষ্ঠি ইতিহাস গড়েছে দ্রুত নীচে নামায়। দেশটি সবচেয়ে তলায় নেমেছে দূর্নীতিতে বিশ্বে প্রথম হয়ে। কিন্তু প্রশড়ব হলো কেন এ ব্যর্থতা? অনেকেই ভাবেন এ ব্যর্থতার মূল কারণ বিশাল জনসংখ্যা। বাংলাদেশের প্রশাসন মূলতঃ এ মতের ধারকদের দখলে। ফলে শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও অন্যসব উন্নয়ন পরিকল্পনার চেয়ে গুরুত্ব দেওয়া হয় জন্মনিয়ন্ত্রণকে। তাই স্বাস্থ্য, শিক্ষা, শিল্প বা কৃষির গুরুত্ব বুঝাতে ঘরে ঘরে কোন সরকারি কর্মচারির পদধুলি পড়ে না। কিন্তু কনডম বা জননিয়ন্ত্রন বড়ি হাতে প্রতিমাসে প্রতি ঘরে কেউ না কেউ পৌঁছবেই। বাংলাদেশ সরকারের সবচেয়ে স্বচ্ছল বিভাগ হলো এটি। বিদেশী ঋণদাতাদেরও সর্বাধিক নজর এ বিভাগটির উপর। বাংলাদেশের জন্মলগ্ন থেকে এ অবধি যত বিদেশী অর্থ এ বিভাগটি পেয়েছে আর কোন বিভাগ তা পায়নি। কিন্তু প্রশ্ন হলো, এত বিণিয়োগ ও এত মেহনতের পরও দেশ কি সামনে এগিয়েছে? (বিস্তারিত)

 
ধর্ম-নিরপেক্ষতার নামে মিথ্যাচার PDF Print E-mail
Dr Firoz Mahboob Kamal
Written by ফিরোজ মাহবুব কামাল   
Thursday, 01 January 2009 13:09
অনেক মুসলমানও পাশ্চাত্যের নীতিকে ধর্ম-নিরপেক্ষ বলে প্রশংসায় বিভোর। তাদের যুক্তি, পাশ্চত্য দেশগুলীতে নামায-রোযার স্বাধীনতা রয়েছে। রয়েছে মসজিদ ও মাদ্রাসার গড়ার স্বাধীনতা। রয়েছে ধর্মীয় লেবাস পড়ে রাস্তায় চলাফেরা ও ধর্মীয় উৎসব পালনের স্বাধীনতাও। পাশ্চাত্য দেশের অনেক সরকার মসজিদ গড়ার জন্য জমি দেয়, এমনকি অর্থও দেয়। তারা আরো উল্লসিত যে, রোযার মাসে মার্কিন প্রেসিডেন্ট হোয়াইট হাউসে মুসলিম নেতাদের ইফতারির দাওয়াত দেয় এবং ঈদের দিনে বাণীও দেয়। যে কারণে তারা পাশ্চাত্যে এ আচরণে প্রশংসায় সোচ্চার তার মূল কারণ মূলতঃ একটিই। আর তা হল অজ্ঞতা। আর সে অজ্ঞতা যেমন ইসলামের মূল শিক্ষা নিয়ে, তেমনি ইসলামের বিরুদ্ধে পাশ্চাত্যের মূল এজেন্ডা নিয়ে। অজ্ঞতার কারণেই তারা ইসলামকে অন্যান্য ধর্মের সাথে এক করে ফেলে। পাশ্চাত্যের রাষ্ট্রগুলো ধর্মীয় স্বাধীনতা বলতে বিভিন্ন ধমের্র অনুসারিদের যে অধিকার দেয় সেটি উদার নয়, উম্মূক্তও নয়।
 
যে ভ্রষ্টতা বাংলাদেশের রাজনীতিতে PDF Print E-mail
Dr Firoz Mahboob Kamal
Written by ফিরোজ মাহবুব কামাল   
Saturday, 25 October 2008 22:53
জাতীয় জীবনে মূল ইঞ্জিন হল রাজনীতি। এ ইঞ্জিনই জাতিকে সামনে টানে। এবং সে সামনে চলাটি কোন পথে হবে -নিছক বৈষয়ীক উন্নয়ন না নৈতিক ও সার্বিক মানবিক উন্নয়নের পথে- সেটি নির্ভর করে এ ইঞ্জিনের চালকদের উপর। কোন একটি জাতির ব্যর্থতা দেখে নিশ্চিত বলা যায়, সে জাতির রাজনৈতিক নেতারা সঠিক ভাবে কাজ করেনি। আর বাংলাদেশের ক্ষেত্রে মূলতঃ সেটিই ঘটেছে। একটি দেশের উন্নয়ন বা সুখ-সমৃদ্ধির জন্য জরুরী নয়, সেদেশের জলবায়ু, আবহাওয়া বা প্রাকৃতিক সম্পদে বিপুল বিপ্লব আসতে হবে। বরং বিপ্লব আনতে হয় নেতৃত্বে এবং সেদেশের রাজনীতিতে। রাজনীতির মাধ্যমে সাধারণ মানুষ পায় পথ-নির্দেশনা, রাজনৈতিক নেতাদের মাঝে পায় অনুকরণীয় মডেল খুজে পায়। আলেকজান্ডারের আমলে গ্রীস যখন বিশ্বশক্তি রূপে আত্মপ্রকাশ তখন গ্রীসের জলবায়ু, আবহাওয়া বা প্রাকৃতিক সম্পদে কোন পরিবর্তন আসেনি।
 
বানভাসি বাংলাদেশঃ দেশ ডুবছে প্রাকৃতিক দূর্যোগে না দূর্নীতির প্লাবনে? PDF Print E-mail
Dr Firoz Mahboob Kamal
Written by ফিরোজ মাহবুব কামাল   
Sunday, 03 October 2004 00:00

বাংলাদেশের বিপদের কারণ নিছক বন্যা বা প্লাবন নয়। অতিবৃষ্টি বা অনাবৃষ্টিও নয়। সম্পদের অপ্রতুলতাও নয়। মূল বিপদ, দূর্নীতির প্লাবন। দেশ ডুবছে মানবসৃষ্ট এ মহাদূর্যোগে। প্লাবনের পানি বিলম্বে হলেও নেমে যায়। ভিটা প্লাবিত হলেও বিবেক সুস্থ্য থাকে। সম্পদ হারালেও মানুষ এতে মনুষত্ব হারায় না। কিন্তু দূর্নীতিপরায়ণ ব্যক্তি পশুর চেয়েও অধম। পশু বাসে, গাড়ীতে বা দোকানে আগুন দেয়না। ধর্ষণও করে না। দেশের তলাও ধসিয়ে দেয় না। কিন্তু মানবেতর পশুরা যাত্রীভর্তি বাস পুরিয়ে দেয়। রাজপথে মানুষকে বিবস্ত্র করে। ধর্ষনে উৎসবও করে। আর বাংলাদেশে এসবই হ্‌চ্ছে। দূর্নীতিপরায়ন মানুষ এজন্যই নেকড়ের চেয়েও ভয়ংকর। যে সমাজে এমন মানুষের সংখ্যাধিক্য সে সমাজের পতন অনিবার্য। অন্য সব ব্যর্থতা জন্ম নেয় নৈতিক এ ব্যর্থতা থেকে। কিছু রাস্তাঘাট, কলকারখানা বা বৃহদাকার ব্রীজ নির্মিত হলেই দেশকে উন্নত বলা হয় না। ডাকাতের বাড়ীতে প্রাসাদ উঠতে পারে। সেও কি ভদ্রজন? তেমনি যে দেশ দূর্নীতিতে সকল দেশের শীর্ষে সে দেশে কিছূ রাস্তা-ঘাট, কল-কারখানা বা বিদেশী মূদ্রার সঞ্চয় বাড়লে বিশ্ববাসী কি উন্নত বলে? একটি জাতির উন্নয়নের সবচেয়ে বড় মাপকাঠি হলো জাতির নৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক উন্নয়ন। দৈহিক বল বা আকারের কারণে মানুষ সৃষ্টির সেরা নয়। বহু পশু মানুষের চেয়ে বড় ও বলশালী। এটি সুস্পষ্ট যে, উন্নয়ন পরিমাপের যতগুলো মাপকাটি আছে তার সবগুলোর বিচারে বাংলাদেশ আজ শুধু ব্যর্থই নয়, সংকটাপন্ন। এ ব্যর্থতা যে সূক্ষ বা মামূলী তাও নয়। ঘরে আগুণ লাগলে বা প্লাবনের পানি ঘরে ঢুকলে অন্ধ, বৃদ্ধ, শিশু এমনকি ঘুমন্ত ব্যক্তিও যেমন টের পায় তেমনি বাংলাদেশের ব্যর্থতা টের পাচ্ছে দেশটির সর্ব পর্যায়ের মানুষ। (বিস্তারিত)

 
বাংলাদেশে সেকুলারিজমের তান্ডব ও ইসলামি চেতনার বিপন্নদশা PDF Print E-mail
Dr Firoz Mahboob Kamal
Written by ফিরোজ মাহবুব কামাল   
Friday, 12 December 2008 20:42
বাংলাদেশ একটি মুসলিম দেশ রূপে পরিচিত হলেও, দেশটিতে যে চেতনা বা মতবাদটি বিজয়ী সেটি ইসলাম নয়। আইন রূপে যে বিধিমালা আদালতে প্রতিষ্ঠিত সেটিও আল্লাহর আইন নয়। ব্যবসা-বাণিজ্য, ব্যাংক-বীমা ও সাধারণ মানুষের প্রাত্যাহিক জীবনে যে আচার, রীতিনীতি বা সংস্কৃতিটি বিজয়ী সেটিও ইসলামী নয়। বাংলাদেশে বিজয়ী জীবনদর্শনটি হল সেকুলারিজম। তবে দেশটিতে সেকুলারিজম যেভাবে ধর্ম-নিরপেক্ষতা বুঝাতে ব্যবহৃত হয়ে থাকে শব্দটির প্রকৃত অর্থ তা নয়। সেকুলারিজমের এটি এক ভূল, বিভ্রান্তিকর এবং সে সাথে প্রতারণামূলক ব্যাখা। ধর্ম নিয়ে সেকুলারিজম যেমন নীরব নয়, তেমনি নিরপেক্ষও নয়। সেকুলারিজমের আভিধানিক অর্থ হল ইহজাগতিকতা। এটি হল এমন এক বিশ্বাস বা চেতনা যা শিক্ষা, সাহিত্য, সংগঠন ও রাজনীতির ক্ষেত্রে ধর্মের কোন ভূমিকা ও প্রভাবকে স্বীকার করে না।
 
ভারতের জন্য ট্রানজিটঃ বাংলাদেশের জন্য কেন আত্মঘাতী? PDF Print E-mail
Dr Firoz Mahboob Kamal
Written by ফিরোজ মাহবুব কামাল   
Sunday, 27 July 2008 00:00

একাত্তরের পর থেকে বাংলাদেশের প্রতি ভারতের দাবীদাওয়া ও আব্দার যেন ক্রমান্বয়ে বেড়েই চলেছে। ২৩ বছরের পাকিস্তান আমলে যে দাবীগুলো তারা মুখে আনতে সাহস পায়নি এখন তা নিয়ে বাংলাদেশের উপর অবিরাম চাপ সৃষ্টি করে চলেছে। পাকিস্তান আমলে তারা বেরুবাড়ির দাবী করেনি, কিন্তু একাত্তরে শুধু দাবিই করেনি, ছিনিয়েও নিয়েছে। এবং সেটি মুজিবের হাত দিয়ে। প্রতিদানে কথা ছিল তিন বিঘা করিডোর বাংলাদেশকে দিবে। কিন্তু সেটি দেয়নি। আঙরপোতা, দহগ্রামের ন্যায় বহু বাংলাদেশী ছিটমহল এখনও ভারতের কাছে জিম্মি। ভারত সেগুলিতে যাওয়ার করিডোর দিতে নারাজ। এখন তারা জোরে সোরে চাইছে বাংলাদেশের মধ্য দিয়ে ট্রানজিট যা দিয়ে তারা পূর্ব ভারতের প্রদেশগুলিতে যাবে। এটি চাইছে প্রতিবেশীর প্রতি পারস্পরিক সহযোগিতার দোহাই দিয়ে। অথচ এমন সহযোগিতা কোন কালেই তারা প্রতিবেশীকে দেয়নি।

 
«StartPrev12NextEnd»

Page 2 of 2