Home EBooks ফেলে আসা দিনগুলো

eBooks

Latest Comments

ফেলে আসা দিনগুলো - অধ্যায় ৬ PDF Print E-mail
Written by ইব্রাহিম হোসেন   
Sunday, 02 November 2003 20:38
Article Index
ফেলে আসা দিনগুলো
অধ্যায় ১
অধ্যায় ২
অধ্যায় ৩
অধ্যায় ৪
অধ্যয় ৫
অধ্যায় ৬
অধ্যায় ৭
অধ্যায় ৮
অধ্যায় ৯
অধ্যায় ১০
অধ্যায় ১১
অধ্যায় ১২
অধ্যায় ১৩
অধ্যায় ১৪
অধ্যায় ১৫
অধ্যায় ১৬
অধ্যায় ১৭
অধ্যায় ১৮
অধ্যায় ১৯
অধ্যায় ২০
অধ্যায় ২১
All Pages

এ সময়েই পূর্ববঙ্গের রাজনীতিতে একটি উল্লেখযোগ্য পরিবর্তনের আভাস পাওয়া গেল। সোহরাওয়ার্দী গ্রুপের যারা নাজিমুদ্দিন সরকারে সুযোগ সুবিধা পেলো না এবং পরবর্তীকালে নূরুল আমীনের সময়ে যারা সরকার থেকে দূরে রইল সেই সব নেতা কর্মীরা ১৯৪৯ সালে আওয়ামী মুসলিম লীগ তৈরী করে। আওয়ামী মুসলিম লীগের কর্ণধাররা বলতে লাগলেন মুসলিম লীগ জনগণের কাছে গ্রহণযোগ্যতা হারিয়েছে তাই তাঁরা জনগণের (আওয়াম) মুসলিম লীগ তৈরী করেছেন।

আমার নিশ্চিত বিশ্বাস এটা ছিল নিছক রাজনৈতিক কৌশল। সাধারণ জনগণকে ধোঁকা দেওয়ার জন্য তখনও তারা মুসলিম শব্দটা ছুঁড়ে ফেলেনি। পূর্ববঙ্গের মুসলিম জাতীয়তাবাদী রাজনৈতিক চিন্তার স্রোতে এই প্রথম তথাকথিত ধর্মনিরপেক্ষ রাজনীতির অনুপ্রবেশ ঘটল যা পরবর্তীকালের ঘটনা প্রবাহ পুরোপুরি ওলট পালট করে দেয়।

আওয়ামী মুসলিম লীগের নেতারা কিছুদিন এই নামে কাজ চালালেও বেশীদিন তাঁদের স্বরূপ গোপন রাখতে পারেননি। শীঘ্রই তাঁরা মুসলিম শব্দটা বাদ দিয়ে দেন এবং তাঁদের ভাষায় তারা ধর্ম নিরপেক্ষ বনে যান। আমার দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতায় দেখেছি, এদেশে ধর্মনিরপেক্ষতা মানে ইসলাম নিরপেক্ষতা। হিন্দু হিন্দু থাকতে পারে, খ্রিষ্টান খ্রিষ্টান থাকতে পারে তাতে ধর্মনিরপেক্ষতার হানি হয় না। কিন্তু মুসলমানের ক্ষেত্রে অবস্থাটা ভিন্ন। তাদের ধর্মনিরপেক্ষ হতে হলে নিজস্ব তাহজীব-তমদ্দুন ত্যাগ করতে হবে। আওয়ামী লীগের এই রাজনীতি আমি কোনদিন বুঝতে পারিনি।

আওয়ামী মুসলিম লীগের এই মুসলিম বর্জনে তাৎক্ষণিকভাবে তখন কিছুটা প্রতিক্রিয়া হয়েছিল বৈকি! যার দরুন আবদুর রশীদ তর্কবাগীশ, রফিকুল হোসেন, খয়রাত হোসেন, হাশিমুদ্দীন, আবদুস সালাম খাঁন প্রমুখ আওয়ামী লীগ ত্যাগ করেছিলেন। পাকিস্তানকে অকেজো করে দেওয়ার জন্য তখন যে কত দিক থেকে চক্রান্ত চলছিল তার ইয়ত্তা নেই। এ সময়ের একটা ঘটনা মনে পড়ছে। তখন পুরনো ঢাকার চকবাজারে আলাউদ্দীন ছাতিওয়ালা নামে একজন প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী বাস করতেন। তাঁর ছাতির কাপড় তৈরীর কারখানা ছিল। এ জন্য ছাতিওয়ালা নামে তিনি পরিচিত হয়েছিলেন। ঢাকাইয়া হওয়া সত্ত্বেও তিনি ছিলেন শিক্ষিত পরিবারের ছেলে। সে সময় ঢাকাইয়ারা লেখাপড়ার চেয়ে ব্যবসাকে অগ্রাধিকার দিতেন বেশী। বাঙ্গালীদের মধ্যে আলাউদ্দীন ছাতিওয়ালাই পাকিস্তান উত্তরকালে প্রথম শিল্পায়নের দিকে এগিয়ে আসেন। তিনি মুসলিম লীগ হিতৈষী ছিলেন। একবার কলকাতায় ব্যবসায়িক কাজে গিয়ে আলাউদ্দীন গ্রেফতার হন। বোধ হয় পুরনো শত্রুতার কারণে তাঁকে সেখানকার কেউ ধরিয়ে দিয়েছিল। তখন চকবাজারের মুসলিম লীগ নেতা আহসান উল্লাহ খান সহ সব ব্যবসায়ী আমার কাছে আসেন বিষয়টির নিষ্পত্তির জন্য। আমি তখন কোন উপায় না পেয়ে মন্ত্রী মফিজউদ্দীন আহমদ ও পরিষদে আমার হুইপ নওয়াবজাদা নসরুল্লাহর কাছে ছুটে যাই। তাদের কাছে গিয়ে আমরা ঢাকাবাসীর পক্ষ থেকে এসেছি বলে আলাউদ্দীন ছাতিওয়ালাকে মুক্ত করবার যাবতীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবী জানাই। আমাদের কথা শুনে মফিজউদ্দীন ও নসরুল্লাহ পশ্চিমবঙ্গের হোম সেক্রেটারী এস.এন. মিত্রের কাছে চিঠি লিখে দেন। মিত্রের সাথে তাঁদের ব্যক্তিগত বন্ধুত্ব ছিল। আমি ও আহসানউল্লাহ চিঠি নিয়ে কলকাতায় চলে যাই। কলকাতায় আমরা উঠেছিলাম ৪ সোহরাওয়ার্দী এভিনিউতে। এই বাড়ীটি ছিল হাজী আব্দুর রশীদ খানের। হাজী সাহেব কংগ্রেস করতেন। সি আর দাস কলকাতা কর্পোরেশনের মেয়র তখন হাজী সাহেব ছিলেন কর্পোরেশনের ডেপুটি চীফ এক্সিকিউটিভ অফিসার। হাজী সাহেব ছিলেন আমার আত্মীয়। এই সূত্রে আমার এই বাড়ীতে ওঠা। এর পাশের বাড়ী ৫ সোহরাওয়ার্দী এভিনিউতে ছিল পাকিস্তানের ডেপুটি হাই কমিশনারের বাসা। তখন ডেপুটি হাই কমিশনার ছিলেন সিরাজগঞ্জের মুসলিম লীগ নেতা আব্দুল্লাহিল মাহমুদ। ইনি পরে পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হয়েছিলেন।

আমরা চিঠি নিয়ে মিত্রের সাথে দেখা করি এবং কলকাতার বংশাল কোর্ট থেকে আলাউদ্দীন ছাতিওয়ালার জামিনের ব্যবস্থা করি। ছাতিওয়ালা জামিন পেয়ে ঢাকায় চলে আসেন। আমরা কলকাতায় বেড়ানোর জন্য কয়েকদিন থাকব বলে সিদ্ধান্ত নেই।

আহসানউল্লাহ একদিন আমাকে নিয়ে তার এক হিন্দু বন্ধুর বাড়ীতে যায়। আহসানউল্লাহর বন্ধু আমাদের আপ্যায়ন ও দুপুরে ভুরিভোজ করান।
খাবার আগে আহসানউল্লাহর বন্ধু হঠাৎ জিজ্ঞাসা করেন আমার কাছে কোন পাকিস্তানী ১০০ টাকার নোট আছে কি না। আমি হ্যাঁ সূচক উত্তর দিলে তিনি একটি ১০০ টাকার নোট আমার কাছে চান। আমি ব্যাগ থেকে তাঁর হাতে একটি নোট দিলে এটি তাড়াতাড়ি পকেটে পুরে ফেলেন। আমি একটু অসন্তুষ্ট হই কিন্তু পরিস্থিতি বুঝে নীরব থাকি।

খাবার পর তিনি পুনরায় হঠাৎ করে আমাকে একটা নতুন চকচকে ১০০ টাকার নোট দিয়ে বলেন এটা রাখেন। আমি তাঁকে যেটা দিয়েছিলাম সেটা ছিল একটু পুরনো। আমি একটু ইতস্তত করে সেটাই পকেটে রেখে দেই। কিছুক্ষণ পর তিনি আমাকে আমার পুরনো গোছের টাকাটাই ফেরত দিয়ে বলেন এটাই হচ্ছে আপনার টাকা! আগেরটা আমার। তারপর তিনি যা বলেন তা শোনার জন্য আমি আদৌ প্রস্তুত ছিলাম না।
তিনি আমাকে বললেন আমরা নোটের বিজনেস করি। আমরা আহসানউল্লাহর কাছে আপনার সব কথা শুনেছি। আপনি যদি আমাদের সাথে থাকেন তাহলে খুব ভাল হয়। আমরা বেশ কিছুদিন ধরেই পূর্ব পাকিস্তানে ব্যবসা চালিয়ে আসছি। ঢাকায়ও আমাদের এজন্ট আছে। আমরা সাধারণত ৪০ শতাংশ হারে বিজনেস করি। তার মানে আপনি যা লাভ করবেন তার ৪০ শতাংশ আমাদেরকে দিতে হবে।

তারাই আমাকে বিজনেসের পথ বাতলে দিল। নরসিংদী কিংবা বাবুরহাট যেখানে লক্ষ লক্ষ টাকার কাপড়ের বিজনেস চলে সেখানে তারা আমাকে একটি দোকান নিয়ে কাপড় কিনতে বললেন। আরও বললেন এতে কোন অসুবিধা নেই। শুধু একটু থানার সাথে ভাল যোগাযোগ রাখলেই চলবে। তাঁরা কিভাবে জেনেছিলেন ঢাকায় আমার বেশ প্রভাব আছে। প্রশাসনের কর্তাদের সাথেও আমার ভাল যোগাযোগ আছে তাও তারা জেনে নিয়েছিলেন। ইচ্ছে করেই আমি বার্গেনিং-এর সুরে বললাম দাদা লাভের পার্সেন্টেজ একটু বাড়িয়ে দিলে হয় না। বিজনেসটা বেশ রিস্কি।

তিনি তখন সোৎসাহে বললেন, কোন অসুবিধা হবে না। বিজনেসের ভলিউম যত ভালো হবে পার্সেন্টেজ সেই হারে উপরের দিকে উঠতে থাকবে। শুধু আপনি বললেই হল টাকা পৌঁছানোর দায়িত্ব আমাদের। তারপর আহসানউল্লাহর বন্ধু আমাদের দু’বাড়ী পরে একটা একতলা বাড়িতে নিয়ে গেলেন। দেখলাম বাড়ীটা দেয়াল দিয়ে ঘেরা। লোহার গেটে দারোয়ান আছে। হঠাৎ করে ভিতরে ঢুকে পড়া যায় না।
বাড়ীর বৈঠকখানা ঘর পার হয়ে আমি যখন ভিতরে ঢুকে পড়েছি তখন আমার চোখ ছানাবড়া। মেঝে থেকে ছাদ পর্যন্ত শুধু টাকা। ১০০ টাকার নোটের বান্ডিল থরে থরে সাজানো রয়েছে। আমার নিজের চোখকেও বিশ্বাস করতে পারছিলাম না। মনে হল একি স্বপ্ন দেখছি! সব জাল টাকা পাকিস্তানে প্রবেশের অপেক্ষায় ছিল। টাকার রুমে ঢোকানোর আগে বৈঠকখানায় বসিয়ে তিনি আমাকে মদ খাওয়ার আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। আমি সোজাসুজি বলেছিলাম মদ আমি খাই না। এরপর আহসানউল্লাহর বন্ধুকে বললাম, দাদা তাহলে দেখছি পূর্ববঙ্গে আপনারা খুব বড় কারবার করছেন। তিনি বললেন, আপনিও বড় কারবারী হয়ে যেত পারবেন। ঢাকায় আমাদের সাথে কাজ করে অনেকেই কোটি কোটি টাকার মালিক হয়ে গেছে। শুধু বলেন কবে থেকে আপনি শুরু করছেন।

আমি তখনকার মত বললাম আমাকে কিছু সময় দিন। ওখানকার পরিবেশ বুঝে আপনাকে সব জানাব। তিনি তখন আবার বললেন পরিবেশ তো সব জানেনই। আবার এত দেরী কেন?
আমি আবারও সময় চেয়ে ফিরে এলাম। এ সময় আহসানউল্লাহকে কিন্তু তিনি আমার সাথে রাখেননি। তিনি তাকে তার পূর্বের বাসায় বসিয়ে রেখে এসেছিলেন।
রাতে হাজী সাহেবের বাসায় ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে শুধু টাকার স্বপ্ন দেখলাম। কোটি কোটি টাকার স্বপ্ন। সে রাতে আমার ঘুম হয়নি। ভোরেই উঠে গিয়েছিলাম। শুয়ে শুয়েই ভাবলাম হায় পাকিস্তান, তোমার জন্য কেরিয়ার নষ্ট করেছি। লেখাপড়ায় এগুতে পারিনি। নিজের জীবন বাজি রেখে তোমার জন্য সংগ্রাম করেছি। আর আজকে আমার হাত দিয়েই তোমার ক্ষতি হবে। এ আমি সহ্য করব কি করে!

আমি সোজা হাজী সাহেবের বাসা থেকে বেরিয়ে এসে আব্দুল্লাহিল মাহমুদের বাসার সামনে এসে পায়চারী করতে থাকলাম। উদ্দেশ্য ভোরের আলো আর একটু পরিষ্কার হলে হাই কমিশনার সাহেবের সাথে দেখা করব। এরি মধ্যে দেখি মাহমুদ সাহেব বারান্দায় পায়চারী শুরু করেছেন। তিন আমাকে আগে থেকেই চিনতেন। সেখান থেকেই বেশ জোরে বললেন, ইব্রাহিম খবর কি! কলকাতায় কেন এসেছ? এখানেই বা এত সকালে ঘোরাফেরা করছ কেন। আমিও জোরে চেঁচিয়ে বললাম আপনার সাথে জরুরী কথা আছে।
মাহমুদ সাহেব উপর থেকে প্রহরারত পুলিশকে বললেন ওকে আমার কাছে নিয়ে এস।
আমি দোতালায় যেতেই জিজ্ঞাসা করলেন ইব্রাহিম পূর্ব পাকিস্তানের রাজনৈতিক অবস্থার কি হাল!
বললাম, মোটেই ভালনা। ওখানেও ষড়যন্ত্র এখানেও ষড়যন্ত্র। কোথায় যাব!
মাহমুদ সাহেব বললেন, কি বলছ ইব্রাহিম, খুলে বল।
পাকিস্তানের বিরুদ্ধে চারদিক থেকে ষড়যন্ত্র চলছে আর আপনি এখানে বসে আছেন। কলকাতার রক্ত তো এখনও শুকায়নি অথচ কোনই খবর রাখেন না। ... কথা কেড়ে নিয়ে বললেন, তোমার কি মাথা খারাপ হয়েছে ইব্রাহিম। আমার মাথা বিলকুল ঠিক আছে। সবকিছু মন দিয়ে শুনুন।
তারপর পুরো ঘটনা তাঁকে আমি খুলে বললাম। তিনি হতবাক হয়ে শুনলেন। বুঝলাম নিজের কর্তব্য তিনি বিস্মৃত হননি মোটেই।

মাহমুদ সাহেব বললেন তুমি এখনই বিমানে করে চলে যাও। আমি টিকিটের ব্যবস্থা করে দিচ্ছি। ওদের ওয়াচাররা টের পেলে তোমার জীবন বিপন্ন হতে পারে। তারপর তিনি নিজেই তাঁর গাড়ী দিয়ে আমাকে বিমানবন্দরে পাঠিয়ে দিলেন। আর বললেন যাবতীয় ব্যবস্থা যা করার আমি করব। সেই দিন বিকেলে আহসানউল্লাহকে তিনি আমার কাপড় চোপড়সহ ঢাকায় বিমানে করে পাঠিয়ে দিয়েছিলেন। পরদিন ঢাকায় এসে শুনি বালিগঞ্জের সেই বাড়ীতে পুলিশ হানা দিয়েছে। আর তাদের ঢাকার এজেন্ট মিটফোর্ডের এক ব্যবসায়ী গ্রেফতার হয়েছে। মিটফোর্ডের ঐ ব্যবসায়ীকে আমি চিনতাম- সে এই কাজ করে কোটি কোটি টাকা বানিয়েছিল। এরকম বহু এজেন্ট তখন পূর্ববঙ্গে বসে দেশের সর্বনাশ করছিল।



 

Comments  

 
+1 # 2014-02-28 13:32
Its true history....I salute this
Reply | Reply with quote | Quote
 
 
0 # 2014-03-09 11:59
Thanks to Allah.I'm really proud to be a Muslim. I've lost word & don't know how to admire the almighty Allah. May almighty Allah keep my father in peace and harmony.
Reply | Reply with quote | Quote
 
 
0 # 2014-09-24 05:03
আসসালামু আলাইকুম শ্রদ্ধেয় লেখক,
আপনার বইটি পড়ে ইতিহাসের যে বিষয় নিয়ে Confusion তৈরী হয়েছে তা পুরোপরি দূর হয়ে গেছে। তবে যে সত্য উপলদ্ধি করেছি, তা নতুন প্রজমকে জানানোর একটা তাগিদ অনুভব করছি। কিন্তু কিভাবে করব তা বুঝে উঠতে পারছিনা। তবে আওয়ামী লিগের রাজনীতি যে গোয়েবসলীয় তত্বের উপর প্রতিষ্টিত তা পানির মত পরিষ্কার। সেই তত্ত্বের মত করেই একটি সামাজিক আন্দোলন হওয়া দরকার। আপনি কেমন আছেন, কোথায় আছেন আপনাকে দেখতে ইচ্ছে করে,সরাসরি পা ছুয়ে সালাম দিতে ইচ্ছে। আল্লাগ আপনাকে ভাল রাখুক। ধন্যবাদ মাজহার
Reply | Reply with quote | Quote
 

Add comment


Security code
Refresh